

ইন্টারনেট, স্মার্টফোন আর কম্পিউটারের ব্যবহার আর সহজলভ্যতা মানুষের চিন্তাভাবনা আর মানসিকাতায় ব্যাপক পরিবর্তন এনেছে। মানুষের দৈনন্দিন জীবন-যাপন, শিক্ষা, বিনোদন বা ব্যবসা-বাণিজ্য; সকল ক্ষেত্রেই ইন্টারনেট, স্মার্টফোন আর কম্পিউটারের ব্যবহার ব্যাপক হারে বেড়েছে। তাইতো এখন ক্ষুদ্র বা মাঝারি ধরনের ব্যবসা থেকে শুরু করে বহুজাতিক কোম্পানিগুলো পণ্য বা সেবার প্রচারে ট্রেডিশনাল মার্কেটিং (যেমনঃ পোস্টার, লিফলেট, ব্যানার, বিলবোর্ড, টিভি বিজ্ঞাপন) এর পাশাপাশি ডিজিটাল মার্কেটিং এর দিকে ঝুঁকে যাচ্ছে। আর এজন্যই এ খাতে প্রতিনিয়ত কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধি পাচ্ছে। আর তাই ফ্রিল্যান্সিং এ ক্যারিয়ার শুরু করার জন্য খুব সহজ আর সম্ভাবনাময় একটি স্কিল হলো ডিজিটাল মার্কেটিং। এটার জন্য কোন বিশেষ দক্ষতা বা পূর্ববর্তী অভিজ্ঞতার প্রয়োজন নেই। আর এটার জন্য খুব দামি মোবাইল বা কম্পিউটারেরও প্রয়োজন নেই। হাতে থাকা স্মার্টফোন বা মিনিমাম বাজেটের কম্পিউটার/ল্যাপটপ দিয়েই শুরু করা যায় এ কাজ। তাই ডিজিটাল মার্কেটিং শিখে খুব সহজেই শুরু করতে পারেন আপনার ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার। আর আপনি যদি একজন উদ্যক্তা হোন, আপনার জন্য ডিজিটাল মার্কেটিং শিখাটা খুব জরুরী। বর্তমান সময়ে ব্যবসার প্রচার আর প্রসারে ডিজিটাল মার্কেটিং এর বিকল্প নেই। ডিজিটাল মার্কেটিং এর দক্ষতা আপনার ব্যবসার প্রচার আর প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
ডিজিটাল মার্কেটিং কেন শিখবেন?
• ফ্রিল্যান্স মার্কেটপ্লেসে ডিজিটাল মার্কেটিং এর প্রচুর চাহিদা রয়েছে।
• লোকাল মার্কেটের পাশাপাশি ফ্রিল্যান্স মার্কেটপ্লেসে কাজ করেও প্রচুর টাকা আয় করা সম্ভব।
• অন্যান্য কাজের তুলনায় মোটামুটি সহজ।
• এটার জন্য কোন পূর্ববর্তী আইটি স্কিল বা দক্ষতার প্রয়োজন হয় না।
• মোটামুটি মানের পিসি বা ল্যাপটপ দিয়েই কাজ করা যায়।
• নিজের ইচ্ছেমত কাজ করা যায়। ঘরে বসেই নিজের সুবিধামত সময়ে কাজ করা যায়।
কোর্সটি কাদের জন্যঃ
• যারা এখনও কোন চাকরি বা কাজের ব্যবস্থা করতে না পেরে ফ্রিল্যান্সিং শুরু করার কথা ভাবছেন।
• যারা চাকরির পাশাপাশি বাড়তি কিছু আয়ের কথা ভাবছেন।
• যেসব ছাত্র/ছাত্রী পড়াশোনার পাশাপাশি আয়ের কথা ভাবছেন।
• যেসব মেয়েরা স্বামীর আয়ের উপর নির্ভরশীল না থেকে নিজেই কিছু আয়ের কথা ভাবছেন।
• যেসব মেয়েরা পরিবারে কিছু সাপোর্ট দেয়ার জন্য আয়ের কথা ভাবছেন।
• যারা বর্তমান ক্যারিয়ার নিয়ে সন্তুষ্ট নন এবং ক্যারিয়ার বদলের কথা ভাবছেন।
• যারা কারও অধীনে কাজ না করে নিজের দক্ষতা কাজে লাগিয়ে স্বাধীনভাবে আয়ের কথা ভাবছেন।
• যারা উদ্যেক্তা বা নতুন ব্যবসা শুরু করতে যাচ্ছেন। কাজ শিখে আপনি নিজের কাজ নিজেই করে ব্যবসার প্রচার আর প্রসারে অবদান রাখতে পারেন, সেই সাথে মার্কেটিং এর খরচ কমিয়ে নিয়ে আসতে পারেন। সবচেয়ে বড় বিষয় হচ্ছে- নিজে কাজ জানলে প্রয়োজন বুঝে অন্যকে দিয়েও কাজটা ভালো করে করিয়ে নেয়া যায়।
কোর্সটি করে যা শিখবেনঃ
• এই কোর্সটি প্রথমে ফ্রিল্যান্সিং জগত সম্পর্কে একটি বিস্তারিত ধারণা প্রদান করবে। যারা ফ্রিল্যান্সিং সম্পর্কে জানতে চান বা ফ্রিল্যান্সিং শুরু করতে চান, তাদের জন্য বেসিক গাইডলাইন থাকবে এই কোর্সে। ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে একাউন্ট তৈরি, সেটআপ ও কাজ পাওয়ার উপায় সম্পর্কে ধারণা পাবেন এই কোর্স থেকে।
• ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে কাজ শুরু করার জন্য প্রয়োজনীয় ডিজিটাল মার্কেটিং স্কিল।
• এ কোর্সে গুগল এডসেন্স (Google AdSense), ফেসবুক মার্কেটিং (Facebook Marketing), ইউটিউব মার্কেটিং (YouTube Marketing), এফিলিয়েট মার্কেটিং (Affiliate Marketing, এসইও (SEO), এসএমএম (SMM), ইমেইল মার্কেটিং (Email Marketing) এর খুঁটিনাটি শিখতে পারবেন।
কোর্সটি আমাদের সাথে কেন করবেন?
• আমাদের কাজের পদ্ধতি গতানুগতিক ট্রেইনিং সেন্টারগুলো থেকে কিছুটা ব্যতিক্রম। ট্রেনিং এর মাধ্যমে অর্থ উপার্জন আমাদের বিজনেস না। আমাদের লক্ষ্যই হচ্ছে প্রাকটিক্যাল কাজের মাধ্যমে কিছু দক্ষ ফ্রিল্যান্সার তৈরি করা, যারা আমাদের টিমে যোগ দিয়ে কাজ করবে; নিজেরাও আর্থিকভাবে লাভবান হবে, আমাদেরও কাজের প্রসার ঘটিয়ে আমাদের টিমকে শক্তিশালি করবে।
• আমরা কোর্সের শুরুতেই ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা দিয়ে থাকি, আর মার্কেটপ্লেসে যেসব কাজের ডিমান্ড বা চাহিদা বেশি, এরকম কাজগুলোকেই অগ্রাধিকার দিয়ে প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকি।
• আমরা প্রি-রেকর্ডেড ক্লাস দিয়ে কাজ শিখাই না। আমাদের প্রতিটি ক্লাস হয় লাইভে। তাই কোথাও বুঝতে অসুবিধা হলে সাথে সাথে ট্রেইনারকে প্রশ্ন করে বুঝে নেয়ার সুযোগ থাকে।
• প্রতিটি ক্লাসের উপর এসাইনমেন্ট, ক্যুইজ আর লাইভ টেস্ট থাকে; যা লার্নার বা শিক্ষার্থীদের আত্মবিশ্বাস বাড়াতে বা দুর্বলতা চিহ্নিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
• প্রতিটি ব্যাচের জন্য পৃথক ম্যাসেঞ্জার গ্রুপ থাকে, যেখানে বিভিন্ন বিষয়ে নিয়মিত আলোচনার বা প্রশ্ন করার সুযোগ থাকে। পারস্পরিক আলোচনার মাধ্যমে অনেক জটিল বিষয়ও সহজ হয়ে যায়।
• প্রতি ব্যাচে আমরা সীমিত সংখ্যক লার্নার বা শিক্ষার্থী নিয়ে থাকি। এতে ট্রেইনার আর লার্নার / শিক্ষার্থীদের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগটা ভালো আর দ্রুত হয়। যেকোনো সমস্যায় দ্রুত রেসপন্স পাওয়া যায়।
• আমরা প্রত্যেকের মেধা আর দক্ষতা অনুযায়ী প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করে থাকি। ব্যাচে সবার মেধা একরকম হয় না, তাই আমরা যারা তুলনামূলকভাবে কম বুঝে, তারা যাতে সবার সাথে তাল মিলিয়ে এগিয়ে যেতে পারে, এজন্য প্রয়োজনে তাদের জন্য আলাদা ক্লাসের ব্যবস্থা করে থাকি।
• প্রশিক্ষণের সময় বা কাজ করার সময় ইনস্ট্রাকটরদের যথেষ্ট সাপোর্ট পাওয়া যায়।
কোর্স শেষে আয়ের সম্ভাবনাঃ
• ভালোভাবে কাজ শিখে দক্ষতা অর্জন করতে পারলে, আমাদের টিমে যোগ দিয়ে ডিজিটাল মার্কেটিং এর কাজ করে আয় করার সুযোগ রয়েছে।
• ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে ডিজিটাল মার্কেটিং এর উপর প্রচুর কাজ আছে। ভালোভাবে কাজ শিখতে পারলে ডিজিটাল মার্কেটিং এর কাজ করে অনেক টাকা আয় করার সুযোগ রয়েছে।
কোর্সটি করার জন্য কি কি বিষয়ে জ্ঞান থাকতে হবে?
• কম্পিউটারের বেসিক ব্যবহার
• ইন্টারনেটের বেসিক ব্যবহার
ক্লাস করার জন্য প্রয়োজন হবেঃ
• ইন্টারনেট সংযোগ (ওয়াইফাই বা মোবাইল ডাটা)
• স্মার্টফোন অথবা ল্যাপটপ / কম্পিউটার
• একটি হেডফোন
কোর্স ফিঃ ২০০০
আমাদের রানিং কোর্স সমূহঃ
| কোর্সের নাম | প্লাটফর্ম | কোর্স ফি |
|---|---|---|
| ফ্রিল্যান্সিং স্টার্টআপ কোর্স | অনলাইন | সম্পূর্ণ ফ্রি |
| প্রফেশনাল ডাটা এন্ট্রি | অনলাইন | ২০০০ টাকা |
| ডিজিটাল মার্কেটিং | অনলাইন | ২০০০ টাকা |
| বেসিক ড্রপশিপিং | অনলাইন | ১৫০০ টাকা |
| মাইক্রোসফট অফিস | অনলাইন | ২০০০ টাকা |
| গ্রাফিক ডিজাইন | অনলাইন | ৩০০০ টাকা |
| ওয়েব ডিজাইন | অনলাইন | ৩০০০ টাকা |
| সাইবার সিকিউরিটি এন্ড ইথিক্যাল হ্যাকিং | অনলাইন | ৫০০০ টাকা |

