

ফ্রিল্যান্সিং এমন একটি পেশা যেখানে কোনো ব্যক্তির বা প্রতিষ্ঠানে চাকরি না করে মুক্তভাবে নিজের দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে স্বাধীনভাবে কাজ করে আয় করা যায়। এখানে ধরা বাধা কোনো অফিস টাইম নেই, আর অফিসে যাওয়ারও কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। ফ্রিল্যান্সারদের কাজের নির্দিষ্ট কোন স্থান নেই। ঘরে বসেই কাজ করা যায়। ফ্রিল্যান্সিং এর জন্য সময়ও নির্ধারিত নেই। নিজের সুবিধামত সময়ে কাজ করা যায়। ফ্রিল্যান্সারদের কাজের সুযোগ শুধুমাত্র নিজ এলাকা বা দেশে সীমাবদ্ধ নয়। বিশ্বায়নের এই যুগে ইন্টারনেটের ব্যবহার, প্রচার ও প্রসারের কারণে ঘরে বসেই অনলাইন মার্কেটপ্লেসের (Marketplace) মাধ্যমে বিদেশের বিভিন্ন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কাজ করে প্রচুর টাকা উপার্জন করা সম্ভব হচ্ছে। একারণেই বর্তমান সময়ে তথ্য প্রযুক্তি খাতে বিপুল পরিমাণ লোক এ পেশায় নিয়োজিত হয়ে সুন্দর ক্যারিয়ার গঠণ করছে।
কেন ফ্রিল্যান্সিং শুরু করা উচিত? (Why should start freelancing?)
প্রতিনিয়ত ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে কাজের পরিধি বৃদ্ধি পাচ্ছে, এবং সেই সাথে কাজের চাহিদাও বাড়ছে। তাই কিছু কাজ শিখে একটু পরিশ্রম করলে সহজেই কাজ করে আয় করা যায়। ফ্রিল্যান্সারদের আয়ের কোনো নির্দিষ্ট সীমা নেই। যার যত বেশি দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা, সে তত বেশি আয় করতে পারে। সত্যি বলতে দক্ষ ও অভিজ্ঞতাসম্পন্ন ফ্রিল্যান্সাররা মাসে এত পরিমান উপার্জন করতে সক্ষম হচ্ছেন যা অনেক সরকারি বা বেসরকারি চাকরিজীবীদের মাসিক বেতনের তুলনায় অনেক গুন বেশি! ফ্রিল্যান্সারদের কাজের ক্ষেত্রে রয়েছে যথেষ্ট স্বাধীনতা। নিজের ইচ্ছেমত কাজ করা যায়। ফ্রিল্যান্সারদের কাজের নির্দিষ্ট কোন স্থান নেই। ঘরে বসেই কাজ করা যায়। ফ্রিল্যান্সিং এর জন্য সময়ও নির্ধারিত নেই। নিজের সুবিধামত সময়ে কাজ করা যায়। তাই ছাত্র/ছাত্রীরা পড়াশোনার পাশাপাশি ফ্রিল্যান্সিং করে আয় করতে পারে। চাকরিজীবীরা বা গৃহিনীরাও তাদের অবসর সময়ে কাজ করে বাড়তি কিছু আয় করতে পারে। আর ফ্রিল্যান্সিং শুরু করার জন্য খুব দামি মোবাইল বা কম্পিউটারের প্রয়োজন নেই। হাতে থাকা স্মার্টফোন বা মিনিমাম বাজেটের কম্পিউটার/ল্যাপটপ দিয়েই ফ্রিল্যান্সিং শুরু করা যায়। এককভাবে কাজ করার পাশাপাশ দলবদ্ধভাবেও কাজ করার সুযোগ রয়েছে। তাই টিম মেম্বারদের কাছ থেকেও অনেক কিছু শিখে নিজের দক্ষতা বাড়ানোর সুযোগ পাওয়া যায়।



