

ফ্রিল্যান্সিং এমন একটি পেশা যেখানে কোনো ব্যক্তির বা প্রতিষ্ঠানে চাকরি না করে মুক্তভাবে নিজের দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে স্বাধীনভাবে কাজ করে আয় করা যায়। এখানে ধরা বাধা কোনো অফিস টাইম নেই, আর অফিসে যাওয়ারও কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। ফ্রিল্যান্সারদের কাজের নির্দিষ্ট কোন স্থান নেই। ঘরে বসেই কাজ করা যায়। ফ্রিল্যান্সিং এর জন্য সময়ও নির্ধারিত নেই। নিজের সুবিধামত সময়ে কাজ করা যায়। ফ্রিল্যান্সারদের কাজের সুযোগ শুধুমাত্র নিজ এলাকা বা দেশে সীমাবদ্ধ নয়। বিশ্বায়নের এই যুগে ইন্টারনেটের ব্যবহার, প্রচার ও প্রসারের কারণে ঘরে বসেই অনলাইন মার্কেটপ্লেসের (Marketplace) মাধ্যমে বিদেশের বিভিন্ন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কাজ করে প্রচুর টাকা উপার্জন করা সম্ভব হচ্ছে। একারণেই বর্তমান সময়ে তথ্য প্রযুক্তি খাতে বিপুল পরিমাণ লোক এ পেশায় নিয়োজিত হয়ে সুন্দর ক্যারিয়ার গঠণ করছে।
ফ্রিল্যান্সিং এর জন্য কি কি স্কিল বা দক্ষতা থাকতে হয়?
বিভিন্ন পত্রিকায়, ফেসবুক বা ইউটিউবে প্রায়ই বিভিন্ন ফ্রিল্যান্সারদের সফলতার গল্প তুলে ধরা হয়। এসব দেখে অনেকেই ভাবে ফ্রিল্যান্সিং শুরু করবে। অনেকেরই কনফিউশন থাকে যে আসলেই কি আমি ফ্রিল্যান্সিং (Freelancing) করতে পারবো? কি কি জিনিস দরকার এই কাজের জন্য? কি কি দক্ষতা দরকার এই কাজের জন্য? সত্যি বলতে তেমন কিছুই লাগবে না ফ্রিল্যান্সিং শুরু করার জন্য। আপনি যে কাজটা ভালো জানেন, সেটা দিয়েই শুরু করতে পারেন ফ্রিল্যান্সিং। আর আপনি যদি কিছুই না জানেন, তাতেও ক্ষতি নেই। আপনার যদি একটি স্মার্টফোন বা একটি ল্যাপটপ/পিসি থাকে, তাহলে আপনার মেধা আর যোগ্যতা অনুযায়ী কিছু কাজ শিখে আপনিও ফ্রিল্যান্সিং শুরু করতে পারেন। তবে আপনার ভেতর প্রচন্ড ইচ্ছাশক্তি আর ধৈর্য্য থাকতে হবে। সময় ও শ্রম দেয়ার মানসিকতা থাকতে হবে। কাজ শেখার জন্য ইন্টারনেটেই অনেক কিছু পাওয়া যায়। গুগলে সার্চ করলে অনেক কন্টেন্ট পাওয়া যায়, ইউটিউবে সার্চ করলেও অনেক ভিডিও পাওয়া যায়। ইন্টারনেট সম্পর্কিত ভালো ধারনা ও গুগল বা ইউটিউব থেকে বিভিন্ন রিসোর্স খুঁজে বের করার দক্ষতা এক্ষেত্রে আপনাকে অনেক সহায়তা করবে। সেই সাথে বিভিন্ন প্রফেশনাল অনলাইন বা অফলাইন কোর্স করেও দক্ষতা অর্জন করতে পারেন। আপনি আমাদের ফ্রিল্যান্সিং স্টার্টআপ কোর্স এ জয়েন করেও কোনো খরচ ছাড়াই উপযুক্ত প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কাজ শিখে ফ্রিল্যান্সিং শুরু করতে পারবেন। আরেকটা বিষয় না বললেই নয়- ক্লায়েন্টের সাথে যোগাযোগের দক্ষতা এবং কাজ চালানোর মতো ইংরেজি ভাষায় দক্ষতা আপনার থাকতে হবে। যেহেতু আপনি বিদেশি বায়ারদের সাথে কাজ করবেন, কথা বলা বা চ্যাটিং- উভয়ক্ষেত্রেই ইংরেজির প্রয়োজন হবে।



