

ফ্রিল্যান্সিং এমন একটি পেশা যেখানে কোনো ব্যক্তির বা প্রতিষ্ঠানে চাকরি না করে মুক্তভাবে নিজের দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে স্বাধীনভাবে কাজ করে আয় করা যায়। এখানে ধরা বাধা কোনো অফিস টাইম নেই, আর অফিসে যাওয়ারও কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। ফ্রিল্যান্সারদের কাজের নির্দিষ্ট কোন স্থান নেই। ঘরে বসেই কাজ করা যায়। ফ্রিল্যান্সিং এর জন্য সময়ও নির্ধারিত নেই। নিজের সুবিধামত সময়ে কাজ করা যায়। ফ্রিল্যান্সারদের কাজের সুযোগ শুধুমাত্র নিজ এলাকা বা দেশে সীমাবদ্ধ নয়। বিশ্বায়নের এই যুগে ইন্টারনেটের ব্যবহার, প্রচার ও প্রসারের কারণে ঘরে বসেই অনলাইন মার্কেটপ্লেসের (Marketplace) মাধ্যমে বিদেশের বিভিন্ন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কাজ করে প্রচুর টাকা উপার্জন করা সম্ভব হচ্ছে। একারণেই বর্তমান সময়ে তথ্য প্রযুক্তি খাতে বিপুল পরিমাণ লোক এ পেশায় নিয়োজিত হয়ে সুন্দর ক্যারিয়ার গঠণ করছে।
ফ্রিল্যান্সিং এর জন্য কি ধরনের কম্পিউটার বা ল্যাপটপ প্রয়োজন হয়?
ফ্রিল্যান্সিং এর কাজের জন্য আমাদের প্রয়োজন হয় কম্পিউটার বা ল্যাপটপের। ল্যাপটপ বা কম্পিউটারের কনফিগারেশন কেমন হবে, এটা নির্ভর করছে আপনি কোন ধরনের কাজ করতে চাচ্ছেন তার উপর। ভিন্ন ভিন্ন কাজের জন্য আপনার ভিন্ন ভিন্ন সফটওয়্যার ও টুলস এর প্রয়োজন হতে পারে। তাই সর্বপ্রথম আপনাকে নির্ধারণ করতে হবে আপনি কোন সেক্টর নিয়ে কাজ করবেন।
- অফিস ওয়ার্ক, ডাটা এন্ট্রি বা ডিজিটাল মার্কেটিং এর মত কাজের জন্য সাধারণ কনফিগারেশনের কম্পিউটার হলেই হবে। ডিজিটাল মার্কেটিং ক্যাটাগরির কাজের জন্যও খুব একটা ভালো কনফিগারেশনের কম্পিউটার প্রয়োজন হয় না এরজন্য Dual Core, Core i3 বা AMD Ryzen 3 প্রসেসর, ৪ জিবি RAM, ১২৮ জিবি SSD হলেই হবে।
- ওয়েব ডিজাইন এবং ডেভেলপমেন্ট, প্রোগ্রামিং, সাইবার সিকিউরিটি এবং নেটওয়াকিং ক্যাটাগরির জন্য সাধারণত Core i3-i5 বা AMD Ryzen 3-5 প্রসেসর, ৪-৮ জিবি RAM, ১২৮ জিবি SSD কার্ড হলে ভালো হয়।
- গ্রাফিক ডিজাইন বা এ জাতীয় ক্রিয়েটিভ কাজের জন্য তুলনামূলক ভালো কনফিগারেশনের ডেস্কটপ বা ল্যাপটপ প্রয়োজন। প্রফেশনাল ভিডিও এডিটিং ক্যাটাগরির কাজ (যেমন: মোশন গ্রাফিক্স, ২ডি ৩ ডি এনিমেশন ইত্যাদি) করতে হাই কনফিগারেশনের কম্পিউটার প্রয়োজন। এরজন্য Core i5-i7 বা AMD Ryzen 5-7 প্রসেসর, ৮-১২ জিবি RAM, ২জিবি GPU, ২৫৬ জিবি SSD, ৫০০ জিবি হার্ডডিস্ক প্রয়োজন হয়।



